|
বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৬
WordOfTheDay(27/04/2016)
মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৬
WordOfTheDay(05April2016)
|
অনুভুতির খাতা থেকে (০৫ এপ্রিল ২০১৬)
জানো তো, সবই অবভ্যেসের ভুল...
নোঙরহীন হৃদয়ে অনুভূতির বন্দর খুঁজে ফেরা...
মাঝরাত্তিরের মানভাঙ্গানি মানচিত্রে ভুল করে তোমাকে এঁকে ফেলা...
সহস্র মিথ্যের ফেরে তোমার সত্যিগুলো আজও আঁকড়ে থাকি, পালিয়ে যাবার শেষ ছুঁতোয়...
বিশ্বাস কর, মুখোশ দেখে নয়......
.... মুখোশ দেখে নয়, তবে কি জানো, মুখোশটাকেই যে ভালোবেসে ফেলেছিলাম...!!!
কার্টেসিঃ
Sakib Ahmed
নোঙরহীন হৃদয়ে অনুভূতির বন্দর খুঁজে ফেরা...
মাঝরাত্তিরের মানভাঙ্গানি মানচিত্রে ভুল করে তোমাকে এঁকে ফেলা...
সহস্র মিথ্যের ফেরে তোমার সত্যিগুলো আজও আঁকড়ে থাকি, পালিয়ে যাবার শেষ ছুঁতোয়...
বিশ্বাস কর, মুখোশ দেখে নয়......
.... মুখোশ দেখে নয়, তবে কি জানো, মুখোশটাকেই যে ভালোবেসে ফেলেছিলাম...!!!
কার্টেসিঃ
Sakib Ahmed
সোমবার, ২৮ মার্চ, ২০১৬
অনুভূতির খাতা থেকে(২৮/০৩/২০১৬)
হয়তো একদিন এসি'র বাতাসগুলি উষ্ম হয়ে যাবে,
লাল নীল জীবনের বয়ে যাওয়া সময়ের সাথে,
কালের গর্ভে হারিয়ে যাবে এই বর্নীল জীবন ।
আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখবো,
ফুল হতে ফুলে ছুটে যাওয়া ভ্রমরগুলিকে,
পাওয়া না পাওয়ার দৌদুল্যমান এই জীবনে
মিশে যাক কষ্টগুলি এই পথের সীমানাতে ।
লাল নীল জীবনের বয়ে যাওয়া সময়ের সাথে,
কালের গর্ভে হারিয়ে যাবে এই বর্নীল জীবন ।
আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখবো,
ফুল হতে ফুলে ছুটে যাওয়া ভ্রমরগুলিকে,
পাওয়া না পাওয়ার দৌদুল্যমান এই জীবনে
মিশে যাক কষ্টগুলি এই পথের সীমানাতে ।
গ্রীষ্মের তীব্র রোদের মাঝে ,আমি ভাবি
চিবুক বেয়ে নেমে আসা এই মুল্যহীন ঘামগুলি
পড়ে থাকুক শহরের কোন অলিতে গলিতে
ভাবতে ভাবতে আমি ক্লান্ত হয়ে পড়ি
তাই মাঝে মাঝে আমি চিৎকার করে উঠি -
"আর কত ?"
জীবনের গান কি আর গাইবে না ,
বারান্দার সানসেটে বাসা বেঁধে থাকা পাখিগুলি ?
তারাও কি ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যাবে
এই মহাকালের অনন্ত পথে ?
চিবুক বেয়ে নেমে আসা এই মুল্যহীন ঘামগুলি
পড়ে থাকুক শহরের কোন অলিতে গলিতে
ভাবতে ভাবতে আমি ক্লান্ত হয়ে পড়ি
তাই মাঝে মাঝে আমি চিৎকার করে উঠি -
"আর কত ?"
জীবনের গান কি আর গাইবে না ,
বারান্দার সানসেটে বাসা বেঁধে থাকা পাখিগুলি ?
তারাও কি ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যাবে
এই মহাকালের অনন্ত পথে ?
আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়,
আমি সত্যি দিব্বি কেটে বলছি
আমার ঘুম ভেঙ্গে যায় ।
চিরচেনা বাড়ির পাশে মাথা উচু করে দাঁড়ানো
নতুন করে গড়ে উঠা ঘরগুলির কোলাহলে ।
কাঁচা ঘুম ভেঙ্গে যাওয়াতে
মাঝে মাঝে
বিদ্রোহী হয়ে উঠতে ইচ্ছে করে ।
ছিড়ে ফুড়ে একাকার করে দিতে ইচ্ছে শহরের
এই আবর্জনাগুলি ।
আমি সত্যি দিব্বি কেটে বলছি
আমার ঘুম ভেঙ্গে যায় ।
চিরচেনা বাড়ির পাশে মাথা উচু করে দাঁড়ানো
নতুন করে গড়ে উঠা ঘরগুলির কোলাহলে ।
কাঁচা ঘুম ভেঙ্গে যাওয়াতে
মাঝে মাঝে
বিদ্রোহী হয়ে উঠতে ইচ্ছে করে ।
ছিড়ে ফুড়ে একাকার করে দিতে ইচ্ছে শহরের
এই আবর্জনাগুলি ।
এসির বাতাসগুলি তখন উষ্ম হয়ে উঠতে থাকে
ধীরে ধীরে বিদ্রোহ তখন ক্রোধ হয়ে
অবশেষে দীর্ঘনিঃশ্বাসে রুপান্তরিত হয় ।
তারপরে আবারো ঘুমিয়ে পড়তে থাকি
স্বপ্নের মাঝে চুড়ুইগুলি আবারো ঘর বাঁধে
তাদের খড়কুটার বাসাতে ,
তাদের জীবনের সুখগুলিরও
ডানা জগিয়ে আকাশে উড়াল দিতে থাকে ।
বেচে থাকুক না সুখগুলি
স্বপ্নে
কিংবা বারান্দার সানসেটের খড়কুঠার বাসাতে ।
ধীরে ধীরে বিদ্রোহ তখন ক্রোধ হয়ে
অবশেষে দীর্ঘনিঃশ্বাসে রুপান্তরিত হয় ।
তারপরে আবারো ঘুমিয়ে পড়তে থাকি
স্বপ্নের মাঝে চুড়ুইগুলি আবারো ঘর বাঁধে
তাদের খড়কুটার বাসাতে ,
তাদের জীবনের সুখগুলিরও
ডানা জগিয়ে আকাশে উড়াল দিতে থাকে ।
বেচে থাকুক না সুখগুলি
স্বপ্নে
কিংবা বারান্দার সানসেটের খড়কুঠার বাসাতে ।
Courtesy:
WordOfTheDay(28/03/2016)
|
রবিবার, ২৭ মার্চ, ২০১৬
WordOfTheDay(26/03/2016)
|
শুক্রবার, ২৫ মার্চ, ২০১৬
WordOfTheDay
|
রবিবার, ২০ মার্চ, ২০১৬
WordOfTheDay(20/03/2016)
|
শনিবার, ১৯ মার্চ, ২০১৬
বাবা
বাবা! ছোটবেলায় শব্দটি একটি আতংকের নাম হলেও বড় হওয়ার সাথে সাথে বুঝতে পারলাম বাবা মানে হলো আস্থার প্রতীক। জন্মের আগে মা যেমন আমায় দশ মাস দশ দিন পেটে ধরেছিল, তেমনি আমি যেন পৃথিবীর আলো সুস্থভাবে দেখতে পারি তা নিশ্চিত করেছেন আমার বাবা। ছোটবেলায় আমার হাত ধরে যিনি আমাকে হাঁটা শিখিয়েছিলেন তিনি আমার বাবা। যদিও বয়স বাড়ার সাথে সাথে দৌড়াতে শিখার পর পিছনে ফিরে কখনো বাবার প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা হয়নি। বরং অতিরিক্ত দুরন্তপনার জন্য যখন তিনি রুষ্ট হতেন তখন মনে হতো পৃথিবীতে উনিই বোধহয় সবচেয়ে খারাপ মানুষ। তখন তো বুঝিনি যে এই খারাপ মানুষটিই আমার সবচেয়ে বড় শুভাকাঙ্ক্ষী। উনি আমার কাছে খারাপ হয়েছিলেন যাতে আমি ভালোভাবে চলতে শিখি।.ছোটবেলায় পড়ালেখার জন্য বাবার হাতে মার খেতে খেতে যখন চিন্তা করতাম নিজের বাচ্চার উপর এতটা নির্দয় মানুষ কেমনে হতে পারে? তখন হয়তো খেয়াল করিনি, তবে আমিনিশ্চিত; মারখেয়ে যখন কান্নাকাটি করে ঘুমিয়ে যেতাম তখন নিঃশব্দে বাবা নিশ্চয় আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতেন।.আমায় জন্মদিয়েছেন আমার মা, কিন্তু যে মানুষটি আমায় অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষাসহ ভালোভাবে বড় হয়ে উঠার পরিবেশ দিয়েছেন তিনি আমার বাবা। বাবা আছেন বলেইহয়ত আমাকে এখনো চিন্তা করতে হয়না বাসায় গিয়ে কি খাবো,কি পড়বো, হাত খরচ কোথা থেকে আসবে ইত্যাদি।.আমার বাবা অনেক কনজারভেটিভ স্বভাবের একজন মানুষ। আমি অন্য সবার বাবার মতো কখনো আমার বাবাকে প্রাণ খুলে হাসতে দেখিনি। কখনো বাবার হাত ধরে কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয়নি।কখনো বাবার পাশে বসে সেভাবে গল্পও করা হয়নি। কখনো প্রাণ খুলে নিজের মনের সব কথা আমি আমার বাবাকে বলতে পারিনি। ছোটবেলা থেকেই বাবার সাথে এসব ক্ষেত্রে দূরত্ব একটু বেশিই ছিল। তারপরেও আমি আমার বাবাকে অনেক ভালোবাসি, হয়তো নিজের থেকেও বেশি। অথচ এই কথাটি বাবাকে কখনো বলা হয়নি। জানি সারাজীবনেও হয়তো কখনো বলা হবে না। হয়তো বলতে পারবো না।.ছোটবেলা থেকেই বাবার সাথে আমার মতের অনেক অমিল রয়েছে।কলেজে পড়ার সময় যখন বাবার সাথে আমার মতের অমিল হতো তখন মনে হতো আমার বাবার মতো বাবা হয়তো আর কারো নেই। হয়তো এই পৃথিবীতেই নেই।.সময় বদলে গেছে। সময়ের স্রোতে গাঁ ভাসিয়ে বদলিয়ে গেছিআমি, বদলে গেছে বাবা ও। এখন আর আমার সাথে বাবার কিংবা বাবার সাথে আমার মতের অমিল হয়না। অনেকটাই শিখে গেছি বাবার মতের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে। এতেই বাবা খুশিআর তাঁর খুশিতে আমিও খুশি।.বাবা! শুধুমাত্র একটি শব্দ নয়। বাবা এমনি এক শব্দ যারমধ্যে বিশালতার ছোঁয়া পাওয়া যায়। পাওয়া যায় নির্ভরতার আলিঙ্গন। বাবা মানে আশ্রয়। বাবা মানে একটি বট বৃক্ষ। বাবা মানে এক টুকরো ছাদ। মাথার ওপর বিশাল আকাশ।.রোদ কিংবা বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে মাথার উপর যে কেউই ছাতা হতে পারে। কিন্তু বট বৃক্ষের মত শীতল ছায়া যে কেউ দিতে পারে না। বট বৃক্ষ হয়ে মাথার উপর যিনি থাকেনতিনি হলেন বাবা। যতক্ষণ থাকে, ততক্ষণ বুঝা যায় না তারমর্ম! মাথার উপর থেকে ছায়া সরে গেলেই টের পাওয়া যায়, কঠিন এই জীবনটা কেউ একজন অনেক সহজ করে দিয়েছিল।.বাবা হলো সেই অদৃশ্য দেয়াল যিনি না থাকলে হয়তো অনেক আগেই আমি ভেঙ্গে গুঁড়ো হয়ে রাস্তায় মিশে যেতাম।
Courtesy#Merian
Courtesy#Merian
আইসিসি রেগুলেশন ২.১.১ ও বাংলাদেশ
আইসিসি রেগুলেশন ২.১.১ পড়ে যা বুঝলাম তার মূলকথা হলো, অভিযুক্ত বোলারকে আম্পায়ার শুধুমাত্র ধারনার ভিত্তিতে সন্দেহ করতে পারবে না।কোন দিক বিবেচনায় এবং কোন ধরনের ডেলিভারির জন্য তাকে সন্দেহ করা হচ্ছেতা ম্যাচ রিপোর্টে লিখিতভাবে জমা দিতে হবে। ভারতীয় আম্পায়ার S. Ravi এ বিষয়টি নির্দিষ্ট করেননি। সুতরাংতাসকিনের পরীক্ষা নেওয়াটাই অবৈধ।In fact, টেস্ট গ্রাউন্ডে তাসকিনকে যেকোন উপায়ে অবৈধ প্রমাণ করার নীলনকশা আগে থেকেই প্রস্তুত করা ছিলো। সব উপায় যখন ব্যর্থ হয়,তখন্ তাসকিনকে মাত্র ৩ মিনিটে ৯ টি বাউন্সার দিতে বলা হয়, তাও স্পীডের ভ্যারিয়েশন বারবার চেঞ্জ করিয়ে যেখানে ১জন খেলোয়াড় এর পক্ষে পুরো খেলোয়াড়ী জীবনে ৩ মিনিটে ৯টা বাউন্সার সেওয়া অসম্ভব, সেখানে ২০ বছরের ১টা ছেলে এত লম্বা জার্নি করে এমন পরীক্ষা দেওয়ার জন্য মানসিক ও শারীরিকভাবে সক্ষম ছিলো কি ?বলা হচ্ছে, তাসকিনের সেই ৯টি বাউন্সারের মধ্যে ৩টি সন্দেহজনক, যেই ৩টি তাকে ১৫০ এর কাছাকাছি গতিতে করতে বলা হয়েছিলো। তাহলে কি আইসিসি নিজেই নিশ্চিত না? আইসিসি কি সন্দেহের ভিত্তিতে কাজ করে? তাসকিনের মেডিক্যাল রিপোর্টই বা কই?এই ৩টি সন্দেহজনক ডেলিভারী বাদে বাকী সব ডেলিভারী নাকি বৈধ ! আইসিসির ভাষায়, তাসকিনের স্টক ডেলিভারি বৈধ. সুতরাং, তাসকিন সব ধরনের ক্লাব ও লীগ ক্রিকেট খেলতে পারবে। সিরিয়াসলী? মানে, যেই জিনিস মদ, সেই জিনিস আবার ফ্রুটিকা হয় কি করে?সবচেয়ে মর্মান্তিক ব্যাপার হলো, আইসিসি রেগুলেশন 2.3.1 যেখানে বলা হচ্ছে, স্টক ডেলিভারী বৈধ থাকলে, সন্দেহজনক আংশিক ডেলিভারির জন্য ১জন বোলারকে সর্বোচ্চ সতর্ক করা যাবে, তার খেলা পর্যবেক্ষনে রেখেপ্রয়োজনে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া যাবে, কিন্তু কোন অবস্থায় নিষিদ্ধ করা যাবে না। সুতরাং আইসিসি তাদের এই রেগুলেশনটিও লংঘন করেছে। এই রেগুলেশনের ভিত্তিতেই দেশী বিদেশী মিডিয়া শুরুতে তাসকিনকে বৈধ বলে খবর প্রচার করছিলো।এখন বিসিবি শক্ত কোন লিগ্যাল এজেন্সীর মাধ্যমে আইসিসির বিরুদ্ধে আইনী লড়াইয়ে যেতে পারে। পাকিস্তান,ওয়েস্ট ইন্ডিজ,শ্রীলংকার সাথেও এমন অবিচার হয়েছে, কিন্তু তারা চুপ করে ছিলো। বাংলাদেশ কি পারবে অন্তত প্রতিবাদের শুরুটা করতে?
WordOfTheDay(19/03/2016)
| |||||||||||||||||||||||||||
| |||||||||||||||||||||||||||
শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৬
শুকতারা
শুকতারা
মন মানসীকে খুজে বেড়াই, যাকে বানাবো হৃদয়ের শুকতারা।
মন মানসীকে খুজে বেড়াই, যাকে বানাবো হৃদয়ের শুকতারা।
যাকে নিয়ে গড়ে তুলব এক রাজপ্রাসাদ, শূন্য জীবন যাকে ছাড়া।
হবি আমার শুকতারা?
উজাড় করে দিব আমার সব, চাইতে হবে না কিছু।
হবি আমার শুকতারা?
যেখানেই তুই হারিয়ে যাস না কেন, নেব আমি তোর পিছু।
হবি আমার শুকতারা?
সাজাবো তোকে সব অমুল্যে, রাখবো করে রাজকুমারী।
হবি আমার শুকতারা?
এনে দেবো পদ্ম পাতার শিশির, দেব প্রয়োজনে তেপান্তর পারি।
হবি আমার শুকতারা?
এনে দেবো সিন্ধু সেঁচে অঞ্জলি ভরে মুক্ত।
হবি আমার শুকতারা?
আগলে রাখব তোকে পৃথিবী থেকে, যেমনি রাখে শুক্ত।
হবি আমার শুকতারা?
ক্ষেতের আইলে হাঁটবো তোকে নিয়ে বর্ষা দিনে।
হবি আমার শুকতারা?
চুলে গেঁথে দেবো বকুল আর সকাল ঝরা শিউলি এনে।
হবি আমার শুকতারা?
আমি নেব তোর সবকিছু, শত বেদনায় তোর সঙ্গি হব।
হবি আমার শুকতারা?
যদি কোন দিন ঠেলে দিস দূরে, তবু তোকে ভালোবেসে যাব।
BY:
হবি আমার শুকতারা?
উজাড় করে দিব আমার সব, চাইতে হবে না কিছু।
হবি আমার শুকতারা?
যেখানেই তুই হারিয়ে যাস না কেন, নেব আমি তোর পিছু।
হবি আমার শুকতারা?
সাজাবো তোকে সব অমুল্যে, রাখবো করে রাজকুমারী।
হবি আমার শুকতারা?
এনে দেবো পদ্ম পাতার শিশির, দেব প্রয়োজনে তেপান্তর পারি।
হবি আমার শুকতারা?
এনে দেবো সিন্ধু সেঁচে অঞ্জলি ভরে মুক্ত।
হবি আমার শুকতারা?
আগলে রাখব তোকে পৃথিবী থেকে, যেমনি রাখে শুক্ত।
হবি আমার শুকতারা?
ক্ষেতের আইলে হাঁটবো তোকে নিয়ে বর্ষা দিনে।
হবি আমার শুকতারা?
চুলে গেঁথে দেবো বকুল আর সকাল ঝরা শিউলি এনে।
হবি আমার শুকতারা?
আমি নেব তোর সবকিছু, শত বেদনায় তোর সঙ্গি হব।
হবি আমার শুকতারা?
যদি কোন দিন ঠেলে দিস দূরে, তবু তোকে ভালোবেসে যাব।
BY:
Md Burhan Uddin
WordOfTheDay(14/01/2016)
| |||||||||
|
মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারি, ২০১৬
WordOfTheDay(12/1/2016)
|
|||||||||
|
বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৫
সাগরের শব্দ শুনি
আমি সমুদ্রের শব্দ শুনি
হাত ঘড়িতে সময় যখন রাত আড়াইটা,
আকাশটায় ভরা পূর্ণিমা আর হিম বাতাসে গায়ে কাঁপুনি
আমি সমুদ্রের শব্দ শুনি
খালি পায়ে ঠান্ডা স্রোত এসে ছুঁয়ে যায়
আর আমি ভিজে যেতে দেই আমার পা দু'খানি
আমি সমুদ্রের শব্দ শুনি
জোয়ার-ভাটায় ঢেউয়ের পাগলামি দেখি
আর দেখি চাঁদের আলোয় চিকচিক করা বালি
আমি সমুদ্রের শব্দ শুনি
তীরে দাঁড়িয়ে বন্ধ চোখে সাগরের ঘ্রাণ নেই
আর .. .. .. সমুদ্রের শব্দ শুনি .. .
By
Tanvir Akram Khan Emu
হাত ঘড়িতে সময় যখন রাত আড়াইটা,
আকাশটায় ভরা পূর্ণিমা আর হিম বাতাসে গায়ে কাঁপুনি
আমি সমুদ্রের শব্দ শুনি
খালি পায়ে ঠান্ডা স্রোত এসে ছুঁয়ে যায়
আর আমি ভিজে যেতে দেই আমার পা দু'খানি
আমি সমুদ্রের শব্দ শুনি
জোয়ার-ভাটায় ঢেউয়ের পাগলামি দেখি
আর দেখি চাঁদের আলোয় চিকচিক করা বালি
আমি সমুদ্রের শব্দ শুনি
তীরে দাঁড়িয়ে বন্ধ চোখে সাগরের ঘ্রাণ নেই
আর .. .. .. সমুদ্রের শব্দ শুনি .. .
By
Tanvir Akram Khan Emu
সোমবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৫
মেয়ে
ও মেয়ে তোর বয়স কত?
কি জানি গো,মা থাকলে বলে দিত।
সেই যে বারে দাঙ্গা হল,শয়ে শয়ে লোক মরল,
হিন্দুদের ঘর জ্বলল, মুসলমানের রক্ত ঝরল,
তখন নাকি মা পোয়াতি,দাঙ্গা আমার জন্মতিথি।
কি জানি গো,মা থাকলে বলে দিত।
সেই যে বারে দাঙ্গা হল,শয়ে শয়ে লোক মরল,
হিন্দুদের ঘর জ্বলল, মুসলমানের রক্ত ঝরল,
তখন নাকি মা পোয়াতি,দাঙ্গা আমার জন্মতিথি।
ও মেয়ে তোর বাবা কোথায়?
মা বলেছে,গরিব দের বাবা হারায়
কেউ তো বলে বাপটা আমার হারামি ছিল।
মায়ের জীবন নষ্ট করে,অন্য গাঁয়ে ঘর বাঁধল।
মা বলত, শিবের দয়াই তোকে পেলাম,
শিবকেই তাই বাপ ডাকলাম।
ও মেয়ে তোর প্রেমিক আছে?ছেলেরা ঘোরে ধারে-কাছে?
প্রেমিক কি গো?মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে?
স্বপ্ন দেখায় দিন দুপুরে?
চুড়ি কাজল মেলাতে কেনায়,
ঝোপের ধারে জামা খোলায়?
এসব নন্দ কাকা করেছে দুবার
প্রেমিক ওকেই বলব এবার।
ও মেয়ে তোর পদবি কি?
বাপই নাকি দেয় শুনেছি
পদবী থাকলে ভাত পাওয়া যায়?
বাপের আদর কাঁদায় হাসায়
ওটা কি বাজারে মেলে?
কিনব তবে দু-দশে দিলে
দামী হলে চাই না আমার
থাক তবে ও বাপ-ঠাকুরদার।
ও মেয়ে তুই রূপসী?
লোকে বলে ডাগর গতর সর্বনাশী
রুপ তো নয়, চোখের ধাঁধা।
যৌবনেতে কুকুরী রাঁধা।
পুরুষ চোখের ইশারা আসে,
সুযোগ বুঝে বুকে পাছায় হাত ও ঘষে।
রূপ কি শুধুই মাংসপেশী?
তবে তো আমি খুব রূপসী।
ও মেয়ে তোর ধর্ম কি রে?
মেয়েমানুষের ধর্ম কি গো?
সব কিছু তো শরীর খেয়ে,
সালমা বলে ধর্মই সমাজ বানায়,
সন্ধেবেলা যখন দাঁড়াই
কেউ তো বলে না,হিন্দু নাকি?
সবাই বলে,কতয় যাবি?
বিছানা নাকি ধর্ম মেলায়
শরীর যখন শরীর খেলায়
তাই ভাবছি এবার থেকে ধর্ম বলব শরীর বা বিছানাকে।
-শতাব্দী রায়
মা বলেছে,গরিব দের বাবা হারায়
কেউ তো বলে বাপটা আমার হারামি ছিল।
মায়ের জীবন নষ্ট করে,অন্য গাঁয়ে ঘর বাঁধল।
মা বলত, শিবের দয়াই তোকে পেলাম,
শিবকেই তাই বাপ ডাকলাম।
ও মেয়ে তোর প্রেমিক আছে?ছেলেরা ঘোরে ধারে-কাছে?
প্রেমিক কি গো?মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে?
স্বপ্ন দেখায় দিন দুপুরে?
চুড়ি কাজল মেলাতে কেনায়,
ঝোপের ধারে জামা খোলায়?
এসব নন্দ কাকা করেছে দুবার
প্রেমিক ওকেই বলব এবার।
ও মেয়ে তোর পদবি কি?
বাপই নাকি দেয় শুনেছি
পদবী থাকলে ভাত পাওয়া যায়?
বাপের আদর কাঁদায় হাসায়
ওটা কি বাজারে মেলে?
কিনব তবে দু-দশে দিলে
দামী হলে চাই না আমার
থাক তবে ও বাপ-ঠাকুরদার।
ও মেয়ে তুই রূপসী?
লোকে বলে ডাগর গতর সর্বনাশী
রুপ তো নয়, চোখের ধাঁধা।
যৌবনেতে কুকুরী রাঁধা।
পুরুষ চোখের ইশারা আসে,
সুযোগ বুঝে বুকে পাছায় হাত ও ঘষে।
রূপ কি শুধুই মাংসপেশী?
তবে তো আমি খুব রূপসী।
ও মেয়ে তোর ধর্ম কি রে?
মেয়েমানুষের ধর্ম কি গো?
সব কিছু তো শরীর খেয়ে,
সালমা বলে ধর্মই সমাজ বানায়,
সন্ধেবেলা যখন দাঁড়াই
কেউ তো বলে না,হিন্দু নাকি?
সবাই বলে,কতয় যাবি?
বিছানা নাকি ধর্ম মেলায়
শরীর যখন শরীর খেলায়
তাই ভাবছি এবার থেকে ধর্ম বলব শরীর বা বিছানাকে।
-শতাব্দী রায়
জীবন
জীবনটা কোন সরল অংক না , ভিতরে যাই হোক বেলা শেষে উত্তর বসিয়ে দিবেন।
হিসেব কষতে ভুল হতেই পারে , কিন্তু তা নিয়ে বসে থাকার কিছু নেই। জীবন তার
নিজের গতিতেই চলে।এই বন্ধুর পথে চলতে গেলে উত্থান-পতন আসে । তখন বাস্তবতা
মেনে নিয়েই চলতে হয়। যা কিছু হোক মেনে সব ভুলে বুক টান টান করে হাঁটতে
জানতে হয় । কারো জন্য নিজের সুন্দর সময় গুলোকে কষ্টের আগুনে ভস্ম করে ছাই
বানানোর কোন মানেই হয় না । এভাবে করে শুধু বারবার নিজের কাছে নিজেকে
পরাজিতই করা হয়।
ভুল মানুষের পিছে পরে নিজেকে কষ্ট দিবার কোন যৌক্তিকতা নেই। বারবার জেনে বুঝে একই ভুল করলে সেটা তখন আর ভুল থাকে না, সেটা হয় পাপ । জীবন একটাই এই জীবন কে নষ্ট করার অধিকার কারো নেই। সেটা আমার ও না, তোমার ও না। জীবন কে লাগাম ছাড়া ঘোড়ার মত ছেড়ে দিতে হয় , দেখবে চলতে চলতে এক সময় না এক সময় সে ঠিকই গন্তব্যে পৌছে গেছে ।
(Collected)
ভুল মানুষের পিছে পরে নিজেকে কষ্ট দিবার কোন যৌক্তিকতা নেই। বারবার জেনে বুঝে একই ভুল করলে সেটা তখন আর ভুল থাকে না, সেটা হয় পাপ । জীবন একটাই এই জীবন কে নষ্ট করার অধিকার কারো নেই। সেটা আমার ও না, তোমার ও না। জীবন কে লাগাম ছাড়া ঘোড়ার মত ছেড়ে দিতে হয় , দেখবে চলতে চলতে এক সময় না এক সময় সে ঠিকই গন্তব্যে পৌছে গেছে ।
(Collected)
অনুভূতির খাতা থেকে(28/12/2015)
সন্ধ্যা শেষ হয়েছে অনেকক্ষণ। অটোতে করে আসছিলাম। হঠাৎ পাশে একটা
বাইক মোটামুটি স্প্রিডে চলে গেলো। পিছনে নীল শাড়ি পরা রমনী। হঠাৎ খেয়াল
করলাম বাইক চালক শার্ট প্যান্ট পরা ফুলবাবু। মনে হল একদমই গেলো না।
নীল শাড়ি পরা মেয়েগুলোর সাথে ফুলবাবুরা একদম যায় না। তাদের পাশে থাকবে ময়লা, শত ভাজ পরা বাসি পাঞ্জাবি পরা কোন বালক। যাদের চোখে থাকবে শীতল চাহনি। চুল থাকবে এলোমেলো। সোডিয়ামের আলোতে দুজন ধীরে ধীরে চলতে থাকবে। প্রেমের প্রথম সাক্ষাত যেমন ফুল ছাড়া চলে না, প্রথম বেতনের টাকা পাবার পর মিষ্টি ছাড়া খালি হাত চিন্তা করা যায় না। তেমনি নীল শাড়ি পরা তরুনীর পাশে আগোছালো কেউ ব্যাতীত অন্যকেউ চিন্তা করা যায় না। মাথায় জেল , গা ভর্তি কড়া পারফিউম দেয়া শার্ট প্যান্ট পরা ফুলবাবু এদের জন্য না।
নীল শাড়ি পরা মেয়েগুলোর সাথে ফুলবাবুরা একদম যায় না। তাদের পাশে থাকবে ময়লা, শত ভাজ পরা বাসি পাঞ্জাবি পরা কোন বালক। যাদের চোখে থাকবে শীতল চাহনি। চুল থাকবে এলোমেলো। সোডিয়ামের আলোতে দুজন ধীরে ধীরে চলতে থাকবে। প্রেমের প্রথম সাক্ষাত যেমন ফুল ছাড়া চলে না, প্রথম বেতনের টাকা পাবার পর মিষ্টি ছাড়া খালি হাত চিন্তা করা যায় না। তেমনি নীল শাড়ি পরা তরুনীর পাশে আগোছালো কেউ ব্যাতীত অন্যকেউ চিন্তা করা যায় না। মাথায় জেল , গা ভর্তি কড়া পারফিউম দেয়া শার্ট প্যান্ট পরা ফুলবাবু এদের জন্য না।
মাঝে মাঝে আজিব সব খেয়াল জাগে। ইচ্ছে করে গল্পের বইয়ের চিরন্তন জীবন্ত এই
চরিত্রকে যদি বাস্তবে চোখের সামনে দেখতে পারতাম। দূর থেকে দাঁড়িয়ে দেখতাম
তবুও কল্পনার সাথে তো বাস্তব একটু মিলিয়ে দেখা যেত।
(Collected)
(Collected)
WordOfTHeDay(27/12/2015)
|
|||||||||
|
অনুভূতির খাতা থেকে(28/12/2015)
"একটা মানুষের জন্য তোমার জমানো শত সহস্র কথাগুলো দিনশেষে শুধু "হুম" -
নামক একটা শব্দে রূপ নেয় ... ওপাশের মানুষটা সেই "হুম" টাই শোনে, এর পেছনের
গল্পটার কিচ্ছু জানে না, বুঝে না ... মানুষটা ভেবে নেয়, তুমি হয়তো কথাই
বলতে চাও না ... সত্যিকারের গল্পটা তো অমন না !!
অপ্রকাশিত আবেগগুলো আর নিখোঁজ হওয়া কথাগুলোর মাঝেই প্রতিনিয়ত সৃষ্টি আর সমাধি হচ্ছে দুটো মানুষের নিষ্পাপ ভালোবাসার ... অমন ভালোবাসার জন্ম বা মৃত্যুর খবর কেউ জানে না ... কেউ না !!"
(collected)
অপ্রকাশিত আবেগগুলো আর নিখোঁজ হওয়া কথাগুলোর মাঝেই প্রতিনিয়ত সৃষ্টি আর সমাধি হচ্ছে দুটো মানুষের নিষ্পাপ ভালোবাসার ... অমন ভালোবাসার জন্ম বা মৃত্যুর খবর কেউ জানে না ... কেউ না !!"
(collected)
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)